আমরা পুঁইশাক খাব কেন ? পুঁইশাক খাওয়ার উপকারিতা জানুন

আমরা পুঁইশাক খাব কেন ?





আমরা পুঁইশাক খাব কেন ? হ্যাঁ । আমরা কেন পুইশাঁক খাব ? আমরা তো অন্য তরকারিও খেতে পারি। পুঁইশাক খেলে আমরা কি উপকার পেতে পারি আজ আমরা তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পুঁইশাক আমাদের দেহের জন্য খুবই উপকারী একটি সবজি। এটি খেতেও যেমন সুস্বাদু  আমাদের দেহের জন্যও তেমন উপকারী। তাই দেরি নয় চলুন দেখে নিই পুঁইশাক খাওয়ার উপকারিতা

পুঁইশাক ক্যান্সার আটকাতে সাহায্য করে

পুঁইশাকে রয়েছে ক্লোরোফিল। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছে  ক্লোরোফিল কার্সিনোজেনিক প্রভাব আটকাতে খুব ভালো কাজ করে। আর আমরা সবাই জানি যে কার্সিনোজেনিকের প্রভাবেই ক্যানসার হয়। আর এই কার্সিনোজেনিক প্রভাব হয় খুব বেশি মাত্রায় কিছু গ্রিল করলে। আর এতে থাকা ফাইবার পাকস্থলী আর কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তবে পুঁই শাক কিন্তু ক্যানসার দূর করতে বেশ কার্যকর।


পুঁইশাক হৃদরোগের ঔষধ 

পুঁইশাকে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ফলিক এসিড ইত্যাদি পুষ্টিগুণ হৃদপিণ্ডের জন্য খুব উপকারী। পুঁইশাকের  এই উপাদানগুলো শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ধমনীতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা দেয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমাতে ডাক্তারেরা পুঁইশাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

অ্যাজমা আটকাতে পুঁইশাক

একটি গবেষণা করা হয়েছিল ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী ৪৩৩ জনের মধ্যে যাদের অ্যাজমা আছে। আর তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল ৫৩০ জন মতো শিশুদের যাদের অ্যাজমা নেই। দেখা গেছে, যাদের অ্যাজমা নেই তারা কোনও না কোনও ভাবে পুঁই শাক বেশি খান। আসলে পুঁই শাকে আছে বিটা ক্যারোটিন আর এই বিটা ক্যারোটিনই অ্যাজমা হতে দেয় না সহজে।

মস্তিষ্কের অস্বাভাবিকতাই পুঁইশাক

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কের কোষগুলো শিথিল হতে শুরু করে এবং এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত পুঁইশাক খাওয়ার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে ফ্রি র্যাডিকেল ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।


*********************************************************************************

১) প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।

২) পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, দেহের বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে বাইরে যেতে সাহায্য করে।

৩) পুঁইশাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ এবং সি, যা ত্বকের রোগজীবাণু দূর করে, শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে সেই সাথে চুলকেও মজবুত রাখে।

৪) নিয়মিত পুঁইশাক খেলে পাইলস, ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম।

৫) পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ বা ফাইবার থাকে যা পাকস্থলী ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৬) যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পুঁইশাক খুব ভালো।



পুঁইশাক খাওয়ার অপকারিতা


কিডনিতে পাথর (Kidney stone) : পুঁইশাক অক্সালেটস সমৃদ্ধ, এটি গ্রহণ করলে শরীরের তরল পদার্থে (body fluids) অক্সালেটস এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং এর ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পুঁইশাকে পিউরিন (purines) নামক উপাদান রয়েছে যা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে শরীরে ইউরিক এসিড (uric acid) বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে গেঁটেবাত, কিডনীতে পাথর ইত্যাদি রোগ হতে পারে। কিডনি এবং পিত্তথলির বিভিন্ন সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের অবশ্যই পুঁইশাক খাওয়ার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

 গাউট/গেঁটেবাত (Gout) : পুঁইশাক অক্সালেটস সমৃদ্ধ, এটি গ্রহণ করলে শরীরের তরল পদার্থে (body fluids) অক্সালেটস এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং এর ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পুঁইশাকে পিউরিন (purines) নামক উপাদান রয়েছে যা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে শরীরে ইউরিক এসিড (uric acid) বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে গেঁটেবাত, কিডনীতে পাথর ইত্যাদি রোগ হতে পারে। কিডনি এবং পিত্তথলির বিভিন্ন সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের অবশ্যই পুঁইশাক খাওয়ার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। 



Post a Comment

1 Comments