জেনে নিন লিচুর উপকারিতা


জেনে নিন লিচুর উপকারিতা 



লিচু | HerbalGuide

আমরা সবাই কমবেশি ফল খেতে ভালোবাসি। ফল খায়না এমন হয়তো কাউকে পাওয়া যাবেনা । আমরা বিভিন্ন ধরনের ফল খেয়ে থাকি । কিন্তু আমরা হয়তো জানিনা কোন ধরনের ফল খেলে আমরা কি ধরনের উপকারিতা পাই। আমরা যদি নিয়ম মেনে ফলমূল গুলো খাই তাহলে আমরা ফলের স্বাদ পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের শারীরিক অবস্থারও উন্নতি হবে।

আজ আমরা জানব লিচু খাওয়ার উপকারিতা  

লিচুর স্বাদ মিষ্টি । তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লিচু খাবেন।
বছরের সবসময় লিচু পাওয়া যায়না । তাই অনেকেই লিচুর সময়ে বেশি বেশি লিচু খায় । এটা মোটেও ঠিক না । প্রতিদিন যদি ৮-১০ লিচু খাওয়া যায় তাহলে ভাল হয় । কেননা অতিরিক্ত লিচু খেলে হজমে গোলমাল বেধে যাবে।
                                        

প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে যা যা রয়েছে :

প্রোটিন             : ১.১     গ্রাম
ফ্যাট                : ০.২    গ্রাম
শ্বেতসার          : ১৩.৬ গ্রাম
ভিটামিন বি ১  : ০.০২ গ্রাম
ভিটামিন বি ২ : ০.০৬ গ্রাম
খনিজ লবণ    : ০.৫   গ্রাম
ভিটামিন সি    : ৩১    মি.গ্রা.
ক্যালসিয়াম    : ১০    মি.গ্রা.
লৌহ               : ০.৭   মি.গ্রা.


আমরা প্রতি ১০০ গ্রাম লিচু থেকে প্রায় ৬১ কিলোক্যালরি শক্তি পেতে পারি । 
লিচু আমাদের শরীরের LDL কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।

আমাদের জাতীয় কবি লিচু নিয়ে কবিতাও লিখেছেন :

                                                                  বাবুদের তাল-পুকুরে

হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া,
বলি থাম একটু দাড়া।



পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যেই চড়েছি
ছোট এক ডাল ধরেছি,



ও বাবা মড়াত করে
পড়েছি সরাত জোরে।
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুষি
একদম জোরসে ঠুসি।



আমিও বাগিয়ে থাপড়
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙনু দেয়াল,
দেখি এক ভিটরে শেয়াল!
ও বাবা শেয়াল কোথা
ভেলোটা দাড়িয়ে হোথা
দেখে যেই আঁতকে ওঠা
কুকুরও জাড়লে ছোটা!
আমি কই কম্ম কাবার
কুকুরেই করবে সাবাড়!



‘বাবা গো মা গো’ বলে
পাঁচিলের ফোঁকল গলে
ঢুকি গিয়ে বোসদের ঘরে,
যেন প্রাণ আসলো ধড়ে!



যাব ফের? কান মলি ভাই,
চুরিতে আর যদি যাই!
তবে মোর নামই মিছা!
কুকুরের চামড়া খিঁচা
সেকি ভাই যায় রে ভুলা-
মালীর ঐ পিটুনিগুলা!
কি বলিস ফের হপ্তা!
তৌবা-নাক খপ্তা…!
আমরা বিভিন্ন ভাবে লিচু খেতে পারি । যেমন :

#লিচুর পায়েস

কীভাবে তৈরি করবেন লিচুর পায়েস:উপাদান : 10-12টি বীজ ছাড়িয়ে নেওয়া পাকা লিচু, এক লিটার মাঠাসমেত দুধ, স্বাদ অনুযায়ী চিনি

পদ্ধতি: দুধটা জ্বাল দিতে আরম্ভ করুন৷ মাঠাসমেত দুধের নিজস্ব কিছু গুণ আছে, স্বাদেও তা লো ফ্যাটের চেয়ে ভালো, তাই মাঝে-মধ্যে খেলে কোনও ক্ষতি হয় না৷ দুধটা কিন্তু ক্রমাগত নাড়তে হবে, না হলে নিচে লেগে যাবে৷ লালচে হয়ে এলে এক চিমটে ছোট এলাচের গুঁড়ো আর চিনিটা যোগ করে দিন৷ ঘন হয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে নিন৷ লিচুগুলোকে লম্বা লম্বা করে কুচিয়ে নিয়ে এই ক্ষীরের মধ্যে মিশিয়ে দিন নামানোর পরে৷ দুধ ফুটন্ত অবস্থায় লিচু দেবেন না, তা কেটে যেতে পারে৷
একেবারে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন৷ দুধের গরমেই লিচুর কাঁচাভাবটা কেটে যাবে৷ চাইলে উপর থেকে একটু খোয়া ক্ষীর ছড়িয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন৷


Post a Comment

0 Comments